ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী? Logo বাংলাদেশ-জাপান ৬ চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি Logo যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা দিতে যুদ্ধের মূল্য চুকানোর হুঁশিয়ারি ইরানের Logo আইসিসিবিতে শুরু হলো পাঁচ দিনব্যাপী দেশীয় ফার্নিচার মেলা Logo অনিশ্চয়তায় সাপের বিষের অ্যান্টিভেনম তৈরি, অর্থাভাবে ধুঁকছে গবেষণাকেন্দ্র Logo চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিক পাচার Logo জাপানের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে পোস্টে যা বললেন Logo সমুদ্রবন্দর ও শিল্প পার্ক নির্মাণে পিপিপি মডেল চায় সোজিৎজ ও এনার্জিপ্যাক Logo বিশ্ব জ্বালানির রূপান্তর পারমাণবিক শক্তিকে ছাড়াল বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ Logo পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান

২০২৬ সালের ‘হারভেস্ট মুন’ এবার দেখা যাবে শনিবার

  • TV Today HD Desk:
  • আপডেট : ১১:১৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪০ Time View

২০২৬ সালের ‘হারভেস্ট মুন’ এবার দেখা যাবে শনিবার

শরতের প্রথম পূর্ণিমা হিসেবে ‘হারভেস্ট মুন’ সব সময়ই আকাশপ্রেমীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের। ‘হারভেস্ট মুন’ বা ফসল কাটার চাঁদ হলো শরৎ বিষুব বা শারদীয় বিষুব-এর (AUTUMNAL EQUINOX) সবচেয়ে কাছাকাছি সময়ে উদিত হওয়া পূর্ণিমা, সাধারণত এই পূর্ণিমাটি সেপ্টেম্বর মাসে দেখা যায়, তবে লুনার সাইকেল বা চন্দ্রচক্রের কারণে কোনো-কোনো বছর এটি অক্টোবর মাসেও ঘটতে পারে।

ফসল সংগ্রহের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই পূর্ণিমা এবার দেখা যাবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)। এদিন চাঁদ পৃথিবীর তুলনামূলক কাছে অবস্থান করবে এবং ব্রিটিশ গ্রীষ্মকালীন সময় (BST) অনুযায়ী বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটে পূর্ণতম অবস্থায় পৌঁছাবে।

বাংলাদেশসহ ভারত ও আশপাশের অঞ্চলে সূর্যাস্তের পর পূর্ব আকাশে দেখা মিলবে এই পূর্ণিমার। দিগন্তের কাছে ওঠার সময় চাঁদকে স্বাভাবিকের তুলনায় বড়, উজ্জ্বল কিংবা লালচে-কমলা দেখাতে পারে।

জ্ঞান বিজ্ঞান তখনও বিকশিত হয়নি। বিদ্যুৎ আবিস্কারের আগে, প্রাচীনকালে কৃষকরা সম্পূর্ণভাবে প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। উত্তর গোলার্ধে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে গ্রীষ্মকালীন ফসল পেকে যেত এবং তা দ্রুত ঘরে তোলার প্রয়োজন হতো। সাধারণত অন্য সময়ে চাঁদ প্রতিদিন গড়ে ৫০ মিনিট দেরিতে ওঠে। কিন্তু এই বিশেষ সময়ে চাঁদ সূর্যাস্তের পরপরই খুব কম সময়ের ব্যবধানে অর্থাৎ ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর উদিত হয়। ফলে সূর্যাস্তের পর মাঠ অন্ধকার হওয়ার পরিবর্তে টানা বেশ কয়েক রাত উজ্জ্বল চাঁদের আলো পাওয়া যেত। এই অতিরিক্ত আলো কৃষকদের সন্ধ্যার পরও জমিতে কাজ করতে এবং ফসল কেটে ঘরে তুলতে সাহায্য করত। এ কারণেই ঐতিহ্যগতভাবে এই চাঁদের নামকরণ হয়েছে ‘হারভেস্ট মুন’।

বিবিসির এক প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ‘হারভেস্ট মুন’ বা ফসল কাটার চাঁদ নামটির সঙ্গে কৃষিকাজের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। শরৎ বিষুবের কাছাকাছি সময়ে এই পূর্ণিমা দেখা যায়। অতীতে সূর্যাস্তের পর দীর্ঘ সময় চাঁদের আলো পাওয়া যেত, যা কৃষকদের সন্ধ্যার পরও ফসল ঘরে তোলার কাজে সহায়তা করত।

হারভেস্ট মুন সবসময় সেপ্টেম্বরে হয় না। শরৎ বিষুবের সবচেয়ে কাছের পূর্ণিমাকেই এই নামে ডাকা হয়। তাই কোনো কোনো বছর এটি সেপ্টেম্বরে, আবার কোনো বছর অক্টোবরে দেখা যায়। ২০২৬ সালে হারভেস্ট মুন হবে ২৬ সেপ্টেম্বর।

চাঁদ ওঠার সময় সেটিকে অনেক সময় হলুদ, কমলা কিংবা লালচে দেখায়। তবে এটি হারভেস্ট মুনের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য নয়। দিগন্তের কাছে চাঁদ থাকলে তার আলোকে আমাদের চোখে পৌঁছাতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি পথ অতিক্রম করতে হয়।

এ সময় আলোর নীল তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। ফলে হলুদ, কমলা ও লাল রঙের আলো তুলনামূলকভাবে বেশি দৃশ্যমান হয়। চাঁদ আকাশে যত ওপরে ওঠে, এই লালচে আভা ততটাই কমে আসে।

–টিভি টুডে

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী?

২০২৬ সালের ‘হারভেস্ট মুন’ এবার দেখা যাবে শনিবার

আপডেট : ১১:১৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৬ সালের ‘হারভেস্ট মুন’ এবার দেখা যাবে শনিবার

শরতের প্রথম পূর্ণিমা হিসেবে ‘হারভেস্ট মুন’ সব সময়ই আকাশপ্রেমীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের। ‘হারভেস্ট মুন’ বা ফসল কাটার চাঁদ হলো শরৎ বিষুব বা শারদীয় বিষুব-এর (AUTUMNAL EQUINOX) সবচেয়ে কাছাকাছি সময়ে উদিত হওয়া পূর্ণিমা, সাধারণত এই পূর্ণিমাটি সেপ্টেম্বর মাসে দেখা যায়, তবে লুনার সাইকেল বা চন্দ্রচক্রের কারণে কোনো-কোনো বছর এটি অক্টোবর মাসেও ঘটতে পারে।

ফসল সংগ্রহের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই পূর্ণিমা এবার দেখা যাবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)। এদিন চাঁদ পৃথিবীর তুলনামূলক কাছে অবস্থান করবে এবং ব্রিটিশ গ্রীষ্মকালীন সময় (BST) অনুযায়ী বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটে পূর্ণতম অবস্থায় পৌঁছাবে।

বাংলাদেশসহ ভারত ও আশপাশের অঞ্চলে সূর্যাস্তের পর পূর্ব আকাশে দেখা মিলবে এই পূর্ণিমার। দিগন্তের কাছে ওঠার সময় চাঁদকে স্বাভাবিকের তুলনায় বড়, উজ্জ্বল কিংবা লালচে-কমলা দেখাতে পারে।

জ্ঞান বিজ্ঞান তখনও বিকশিত হয়নি। বিদ্যুৎ আবিস্কারের আগে, প্রাচীনকালে কৃষকরা সম্পূর্ণভাবে প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। উত্তর গোলার্ধে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে গ্রীষ্মকালীন ফসল পেকে যেত এবং তা দ্রুত ঘরে তোলার প্রয়োজন হতো। সাধারণত অন্য সময়ে চাঁদ প্রতিদিন গড়ে ৫০ মিনিট দেরিতে ওঠে। কিন্তু এই বিশেষ সময়ে চাঁদ সূর্যাস্তের পরপরই খুব কম সময়ের ব্যবধানে অর্থাৎ ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর উদিত হয়। ফলে সূর্যাস্তের পর মাঠ অন্ধকার হওয়ার পরিবর্তে টানা বেশ কয়েক রাত উজ্জ্বল চাঁদের আলো পাওয়া যেত। এই অতিরিক্ত আলো কৃষকদের সন্ধ্যার পরও জমিতে কাজ করতে এবং ফসল কেটে ঘরে তুলতে সাহায্য করত। এ কারণেই ঐতিহ্যগতভাবে এই চাঁদের নামকরণ হয়েছে ‘হারভেস্ট মুন’।

বিবিসির এক প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ‘হারভেস্ট মুন’ বা ফসল কাটার চাঁদ নামটির সঙ্গে কৃষিকাজের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। শরৎ বিষুবের কাছাকাছি সময়ে এই পূর্ণিমা দেখা যায়। অতীতে সূর্যাস্তের পর দীর্ঘ সময় চাঁদের আলো পাওয়া যেত, যা কৃষকদের সন্ধ্যার পরও ফসল ঘরে তোলার কাজে সহায়তা করত।

হারভেস্ট মুন সবসময় সেপ্টেম্বরে হয় না। শরৎ বিষুবের সবচেয়ে কাছের পূর্ণিমাকেই এই নামে ডাকা হয়। তাই কোনো কোনো বছর এটি সেপ্টেম্বরে, আবার কোনো বছর অক্টোবরে দেখা যায়। ২০২৬ সালে হারভেস্ট মুন হবে ২৬ সেপ্টেম্বর।

চাঁদ ওঠার সময় সেটিকে অনেক সময় হলুদ, কমলা কিংবা লালচে দেখায়। তবে এটি হারভেস্ট মুনের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য নয়। দিগন্তের কাছে চাঁদ থাকলে তার আলোকে আমাদের চোখে পৌঁছাতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি পথ অতিক্রম করতে হয়।

এ সময় আলোর নীল তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। ফলে হলুদ, কমলা ও লাল রঙের আলো তুলনামূলকভাবে বেশি দৃশ্যমান হয়। চাঁদ আকাশে যত ওপরে ওঠে, এই লালচে আভা ততটাই কমে আসে।

–টিভি টুডে