ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী? Logo বাংলাদেশ-জাপান ৬ চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি Logo যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা দিতে যুদ্ধের মূল্য চুকানোর হুঁশিয়ারি ইরানের Logo আইসিসিবিতে শুরু হলো পাঁচ দিনব্যাপী দেশীয় ফার্নিচার মেলা Logo অনিশ্চয়তায় সাপের বিষের অ্যান্টিভেনম তৈরি, অর্থাভাবে ধুঁকছে গবেষণাকেন্দ্র Logo চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিক পাচার Logo জাপানের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে পোস্টে যা বললেন Logo সমুদ্রবন্দর ও শিল্প পার্ক নির্মাণে পিপিপি মডেল চায় সোজিৎজ ও এনার্জিপ্যাক Logo বিশ্ব জ্বালানির রূপান্তর পারমাণবিক শক্তিকে ছাড়াল বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ Logo পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান

নতুন এটিসি টাওয়ার ও রাডারে বদলে গেছে দেশের আকাশপথ, রেকর্ড রাজস্ব আদায়

  • TV Today HD Desk:
  • আপডেট : ১২:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪১ Time View

নতুন এটিসি টাওয়ার ও রাডারে বদলে গেছে দেশের আকাশপথ, রেকর্ড রাজস্ব আদায়

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন এটিসি (এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল) টাওয়ার এবং আধুনিক রাডার ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে দেশের আকাশসীমা ব্যবহারের নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজস্ব আয়ের ইতিবাচক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ফ্রান্সের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এ টাওয়ার চালুর পর দেশের আকাশপথ ব্যবহারকারী বিদেশি উড়োজাহাজ থেকে ওভার ফ্লাইং চার্জ আদায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই ৬ মাসে এ খাতে আয় হয়েছে ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। বিগত দিনগুলো থেকে আয় বেড়েছে প্রায় ৮-১০ শতাংশ।

এটিসির সদস্য এয়ার কমডোর মো. নুর-ই-আলম বলেন, আপনারা বলছেন আমাদের রাজস্ব বেড়েছে। বিষয়টা হচ্ছে আমাদের রাজস্ব বাড়ার প্রবৃদ্ধির যে হার আছে ৬-৮ ভাগ। সেই হিসেবে রাজস্ব বাড়ছে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালের দিকে তাকালে দেখা যায়, আগে প্রতি মাসে যেখানে ৬০-৬১ কোটি টাকা আসত। শুধু ওভার ফ্লাইং-এর কথা বলছি। সেখানে আমাদের বর্তমানে ৬৯-৭১ কোটি টাকার আশেপাশে আসছে।

ফ্রান্সের থেলাস কোম্পানির রাডার বসাতে সকারের ব্যয় হয়েছে ৯৪২ কোটি টাকা। বর্তমানে যা আয় হচ্ছে, আগামী ১৬-১৮ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ রাডারের ব্যয় তোলা সম্ভব বলে মনে করছেন এয়ার কমডোর মো. নূর-ই-আলম।

এ সময় তিনি আরও বলেন, সেখানে যেটুকু ট্রাফিক আমি ধারণ করতে পারছি, সামনের দিনগুলোতে দূরত্বের ওপর বেজ করে আমি জায়গা দিতে পারব। ফলে আমি বর্তমান সময়ের থেকে ৩-৪ গুণ বেশি ট্রাফিক রাখতে পারব। এর ফলে আমার ৩-৪ গুণ বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে।

তবে নতুন ফরাসি প্রযুক্তির রাডার ব্যবস্থা ও আধুনিক এটিসি টাওয়ার চালুর পর পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে দেশের আকাশসীমা, বিশেষ করে বঙ্গোপসাগর এলাকায় শতভাগ নজরদারি নিশ্চিত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করা প্রত্যেকটি ফ্লাইট শনাক্ত করে তাদের কাছে নির্ধারিত ফি আদায় সম্ভব হচ্ছে।

এয়ার কমডোর মো. নুর-ই-আলম বলেন, আমাদের বঙ্গোপসাগরের দিকে বিশাল জলরাশি আগে আমাদের রাডারের আওতায় সেভাবে ছিল না। বর্তমানে চট্টগ্রাম রাডার ইন্টিগ্রেটেড হওয়ার কারণে আমি দক্ষিণ দিকে বহুদূর পর্যন্ত রাডার কাভারেজ দিতে পারি। যেটুকু আমি রাডার পাচ্ছি না, সেখানে আমাদের অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। ফলে আমরা বঙ্গোপসাগরের ওপর যেসব রুট আছে, সেখান থেকেও রাজস্ব আদায় করতে পারব।

নতুন এটিসি টাওয়ার ও আধুনিক নেভিগেশন চালুর ফলে ঢাকা থেকে প্রায় ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে কোনো ফ্লাইটের পক্ষে রাডারের নজর এড়িয়ে বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার সম্ভব নয়।

-টিভি টুডে

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী?

নতুন এটিসি টাওয়ার ও রাডারে বদলে গেছে দেশের আকাশপথ, রেকর্ড রাজস্ব আদায়

আপডেট : ১২:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

নতুন এটিসি টাওয়ার ও রাডারে বদলে গেছে দেশের আকাশপথ, রেকর্ড রাজস্ব আদায়

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন এটিসি (এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল) টাওয়ার এবং আধুনিক রাডার ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে দেশের আকাশসীমা ব্যবহারের নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজস্ব আয়ের ইতিবাচক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ফ্রান্সের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এ টাওয়ার চালুর পর দেশের আকাশপথ ব্যবহারকারী বিদেশি উড়োজাহাজ থেকে ওভার ফ্লাইং চার্জ আদায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই ৬ মাসে এ খাতে আয় হয়েছে ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। বিগত দিনগুলো থেকে আয় বেড়েছে প্রায় ৮-১০ শতাংশ।

এটিসির সদস্য এয়ার কমডোর মো. নুর-ই-আলম বলেন, আপনারা বলছেন আমাদের রাজস্ব বেড়েছে। বিষয়টা হচ্ছে আমাদের রাজস্ব বাড়ার প্রবৃদ্ধির যে হার আছে ৬-৮ ভাগ। সেই হিসেবে রাজস্ব বাড়ছে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালের দিকে তাকালে দেখা যায়, আগে প্রতি মাসে যেখানে ৬০-৬১ কোটি টাকা আসত। শুধু ওভার ফ্লাইং-এর কথা বলছি। সেখানে আমাদের বর্তমানে ৬৯-৭১ কোটি টাকার আশেপাশে আসছে।

ফ্রান্সের থেলাস কোম্পানির রাডার বসাতে সকারের ব্যয় হয়েছে ৯৪২ কোটি টাকা। বর্তমানে যা আয় হচ্ছে, আগামী ১৬-১৮ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ রাডারের ব্যয় তোলা সম্ভব বলে মনে করছেন এয়ার কমডোর মো. নূর-ই-আলম।

এ সময় তিনি আরও বলেন, সেখানে যেটুকু ট্রাফিক আমি ধারণ করতে পারছি, সামনের দিনগুলোতে দূরত্বের ওপর বেজ করে আমি জায়গা দিতে পারব। ফলে আমি বর্তমান সময়ের থেকে ৩-৪ গুণ বেশি ট্রাফিক রাখতে পারব। এর ফলে আমার ৩-৪ গুণ বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে।

তবে নতুন ফরাসি প্রযুক্তির রাডার ব্যবস্থা ও আধুনিক এটিসি টাওয়ার চালুর পর পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে দেশের আকাশসীমা, বিশেষ করে বঙ্গোপসাগর এলাকায় শতভাগ নজরদারি নিশ্চিত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করা প্রত্যেকটি ফ্লাইট শনাক্ত করে তাদের কাছে নির্ধারিত ফি আদায় সম্ভব হচ্ছে।

এয়ার কমডোর মো. নুর-ই-আলম বলেন, আমাদের বঙ্গোপসাগরের দিকে বিশাল জলরাশি আগে আমাদের রাডারের আওতায় সেভাবে ছিল না। বর্তমানে চট্টগ্রাম রাডার ইন্টিগ্রেটেড হওয়ার কারণে আমি দক্ষিণ দিকে বহুদূর পর্যন্ত রাডার কাভারেজ দিতে পারি। যেটুকু আমি রাডার পাচ্ছি না, সেখানে আমাদের অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। ফলে আমরা বঙ্গোপসাগরের ওপর যেসব রুট আছে, সেখান থেকেও রাজস্ব আদায় করতে পারব।

নতুন এটিসি টাওয়ার ও আধুনিক নেভিগেশন চালুর ফলে ঢাকা থেকে প্রায় ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে কোনো ফ্লাইটের পক্ষে রাডারের নজর এড়িয়ে বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার সম্ভব নয়।

-টিভি টুডে