ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী? Logo বাংলাদেশ-জাপান ৬ চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি Logo যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা দিতে যুদ্ধের মূল্য চুকানোর হুঁশিয়ারি ইরানের Logo আইসিসিবিতে শুরু হলো পাঁচ দিনব্যাপী দেশীয় ফার্নিচার মেলা Logo অনিশ্চয়তায় সাপের বিষের অ্যান্টিভেনম তৈরি, অর্থাভাবে ধুঁকছে গবেষণাকেন্দ্র Logo চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিক পাচার Logo জাপানের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে পোস্টে যা বললেন Logo সমুদ্রবন্দর ও শিল্প পার্ক নির্মাণে পিপিপি মডেল চায় সোজিৎজ ও এনার্জিপ্যাক Logo বিশ্ব জ্বালানির রূপান্তর পারমাণবিক শক্তিকে ছাড়াল বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ Logo পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান

‘বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর চেম্বার’ গঠনের প্রস্তাব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

  • TV Today HD Desk:
  • আপডেট : ০৭:৪০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭৩ Time View

‘বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর চেম্বার’ গঠনের প্রস্তাব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

বাংলাদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বরোপ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন,সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি উভয় দেশের ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের সমন্বয়ে একটি যৌথ ‘বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর চেম্বার’ গঠন করা যেতে পারে। তিনি বলেন, এই ধরনের একটি বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম ও বিনিয়োগের প্রসার এবং দ্বিপক্ষীয় ব্যবসায়িক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও প্রবাসী শ্রমিকদের সঙ্গে এক মত বিনিময় সভায় তিন একথা বলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

‘বাংলাদেশ চেম্বার অব সিঙ্গাপুর’ স্থানীয় একটি হোটেলে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তারা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে নানাবিধ ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ-সুবিধা বিষয়ে অবহিত করেন এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য অর্থনৈতিক কূটনীতিকে একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, বৈশ্বিক ব্যবসা-বাণিজ্যের এক অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এতে নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হতে পারে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ব্যবসায়ীদের বক্তব্য শুনে বলেন, সরকার একটি বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া অভিবাসন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সাধনের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পৃথক উইং গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টি তুলে ধরে শামা ওবায়েদ গবেষণা, উদ্ভাবন এবং উপযুক্ত নীতি সহায়তার মাধ্যমে রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং নতুন নতুন রপ্তানি খাতের বিকাশের ওপর জোর দেন। সিঙ্গাপুরের বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা ডেটা সেন্টারকে বাংলাদেশে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগের একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) সম্ভাব্য সুফলের কথা তুলে ধরেন।

ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদিত হলে সিঙ্গাপুরের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের ইস্পাত, জাহাজ নির্মাণ এবং জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ (শিপ রিসাইক্লিং) খাতের কোম্পানিগুলো বিশেষভাবে লাভবান হতে পারে।

ব্যবসায়ী কমিউনিটি বাংলাদেশি পণ্যের প্রদর্শনের জন্য রোড শো ও বাণিজ্য মেলা আয়োজন, সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া সহজ করার প্রস্তাবও দেন।

অন্যদিকে, পেশাজীবী ও প্রবাসী শ্রমিকরা প্রবীণদের সেবা পরিচর্যাকে (এল্ডারলি কেয়ারগিভিং) বাংলাদেশিদের জন্য একটি উদীয়মান কর্মসংস্থান খাত হিসেবে চিহ্নিত করেন। একই সাথে তারা আইটি, ডেটা অ্যানালাইসিস, সাইবার সিকিউরিটি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মতো দক্ষ ক্ষেত্রগুলোতে কর্মসংস্থানের আরও বেশি বহুমুখীকরণের আহ্বান জানান।

অংশগ্রহণকারীরা উচ্চ অভিবাসন ব্যয় এবং কিছু রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সম্ভাব্য শোষণের শিকার হওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, শোষণ রোধ ও অভিবাসন খরচ কমাতে সরকার নিয়োগ প্রক্রিয়াকে একটি স্বচ্ছ ব্যবস্থার আওতায় আনার জন্য কাজ করছে। পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি)-এর আওতাধীন সুযোগগুলোও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, বিদেশে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং অংশীজনদের সাথে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি, ওষুধ শিল্প, আইসিটি, শিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষার (টিভিইটি) ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন।

‘বাংলাদেশ বিশ্বের সব প্রান্তের বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত’ উল্লেখ করে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের নিজ দেশে বিনিয়োগের সুযোগগুলো অন্বেষণের আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অংশগ্রহণকারীদের তাদের প্রস্তাবনাগুলো লিখিতভাবে জমা দেওয়ার অনুরোধ করেন, যাতে সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। তিনি সিঙ্গাপুরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করার ব্যাপারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

-টিভি টুডে

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী?

‘বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর চেম্বার’ গঠনের প্রস্তাব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট : ০৭:৪০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

‘বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর চেম্বার’ গঠনের প্রস্তাব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

বাংলাদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বরোপ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন,সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি উভয় দেশের ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের সমন্বয়ে একটি যৌথ ‘বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর চেম্বার’ গঠন করা যেতে পারে। তিনি বলেন, এই ধরনের একটি বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম ও বিনিয়োগের প্রসার এবং দ্বিপক্ষীয় ব্যবসায়িক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও প্রবাসী শ্রমিকদের সঙ্গে এক মত বিনিময় সভায় তিন একথা বলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

‘বাংলাদেশ চেম্বার অব সিঙ্গাপুর’ স্থানীয় একটি হোটেলে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তারা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে নানাবিধ ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ-সুবিধা বিষয়ে অবহিত করেন এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য অর্থনৈতিক কূটনীতিকে একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, বৈশ্বিক ব্যবসা-বাণিজ্যের এক অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এতে নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হতে পারে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ব্যবসায়ীদের বক্তব্য শুনে বলেন, সরকার একটি বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া অভিবাসন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সাধনের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পৃথক উইং গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টি তুলে ধরে শামা ওবায়েদ গবেষণা, উদ্ভাবন এবং উপযুক্ত নীতি সহায়তার মাধ্যমে রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং নতুন নতুন রপ্তানি খাতের বিকাশের ওপর জোর দেন। সিঙ্গাপুরের বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা ডেটা সেন্টারকে বাংলাদেশে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগের একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) সম্ভাব্য সুফলের কথা তুলে ধরেন।

ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদিত হলে সিঙ্গাপুরের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের ইস্পাত, জাহাজ নির্মাণ এবং জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ (শিপ রিসাইক্লিং) খাতের কোম্পানিগুলো বিশেষভাবে লাভবান হতে পারে।

ব্যবসায়ী কমিউনিটি বাংলাদেশি পণ্যের প্রদর্শনের জন্য রোড শো ও বাণিজ্য মেলা আয়োজন, সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া সহজ করার প্রস্তাবও দেন।

অন্যদিকে, পেশাজীবী ও প্রবাসী শ্রমিকরা প্রবীণদের সেবা পরিচর্যাকে (এল্ডারলি কেয়ারগিভিং) বাংলাদেশিদের জন্য একটি উদীয়মান কর্মসংস্থান খাত হিসেবে চিহ্নিত করেন। একই সাথে তারা আইটি, ডেটা অ্যানালাইসিস, সাইবার সিকিউরিটি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মতো দক্ষ ক্ষেত্রগুলোতে কর্মসংস্থানের আরও বেশি বহুমুখীকরণের আহ্বান জানান।

অংশগ্রহণকারীরা উচ্চ অভিবাসন ব্যয় এবং কিছু রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সম্ভাব্য শোষণের শিকার হওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, শোষণ রোধ ও অভিবাসন খরচ কমাতে সরকার নিয়োগ প্রক্রিয়াকে একটি স্বচ্ছ ব্যবস্থার আওতায় আনার জন্য কাজ করছে। পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি)-এর আওতাধীন সুযোগগুলোও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, বিদেশে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং অংশীজনদের সাথে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি, ওষুধ শিল্প, আইসিটি, শিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষার (টিভিইটি) ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন।

‘বাংলাদেশ বিশ্বের সব প্রান্তের বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত’ উল্লেখ করে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের নিজ দেশে বিনিয়োগের সুযোগগুলো অন্বেষণের আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অংশগ্রহণকারীদের তাদের প্রস্তাবনাগুলো লিখিতভাবে জমা দেওয়ার অনুরোধ করেন, যাতে সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। তিনি সিঙ্গাপুরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করার ব্যাপারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

-টিভি টুডে