ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী? Logo বাংলাদেশ-জাপান ৬ চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি Logo যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা দিতে যুদ্ধের মূল্য চুকানোর হুঁশিয়ারি ইরানের Logo আইসিসিবিতে শুরু হলো পাঁচ দিনব্যাপী দেশীয় ফার্নিচার মেলা Logo অনিশ্চয়তায় সাপের বিষের অ্যান্টিভেনম তৈরি, অর্থাভাবে ধুঁকছে গবেষণাকেন্দ্র Logo চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিক পাচার Logo জাপানের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে পোস্টে যা বললেন Logo সমুদ্রবন্দর ও শিল্প পার্ক নির্মাণে পিপিপি মডেল চায় সোজিৎজ ও এনার্জিপ্যাক Logo বিশ্ব জ্বালানির রূপান্তর পারমাণবিক শক্তিকে ছাড়াল বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ Logo পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান

‘মানুষের জয়গান গাওয়া’ ভাইরাল সেই তরুণের নাম আজহারুল

  • TV Today HD Desk:
  • আপডেট : ০১:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৭৮ Time View

‘মানুষের জয়গান গাওয়া’ ভাইরাল সেই তরুণের নাম আজহারুল

-তুমি হিন্দু? –আমি আগে মানুষ

ক্ষয়িষ্ণুমান সময়ে লৌহদৃপ্ত স্পর্ধা নিয়ে এভাবে কথা বলে আলোচনার ঝড় তোলা সেই তরুণের নাম মো. আজহারুল। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে বানানো ‘রাজিব শাহের আস্তানাসহ’ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় এক ব্যক্তির সঙ্গে আজহারুলের এমন কথোপকথন সম্প্রতি ভাইরাল হয়।

 এই অল্প বয়সে আজহারুল যেভাবে কথা বলেছেন এবং তার কথার বিষয়বস্তুতে অসাম্প্রদায়িকতার যে বার্তা ফুটে উঠেছে, তার জন্যই মূলত তিনি মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনরা লিখছেন, আজহারুলের কথায় ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ বাণীর প্রতিধ্বনি আছে।

ভিডিও চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার পর আজহারুল মঙ্গলবার সকালে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এই জায়গায় যদি মসজিদের বদলে নতুন করে কোনো মন্দির নির্মাণ করা হতো, তাহলেও আমি একইভাবে বলতাম, এখানে মসজিদ ও গির্জা নির্মাণের সমান অধিকারও থাকতে হবে। প্রয়োজনে মসজিদ নির্মাণে আমি নিজেই অর্থায়ন করতাম।’

‘কারণ আমার কাছে প্রশ্নটি কোনো একটি ধর্মের নয়, প্রশ্নটি ন্যায্যতা, সমঅধিকার ও আইনের সমান প্রয়োগের। এই নীতির ক্ষেত্রে আমি একবিন্দুও ছাড় দিতাম না।

তবে দুঃখের বিষয়, মন্তব্যগুলো দেখে মনে হলো সনাতনী ভাই-বোনদের পাশাপাশি খুব অল্প কিছু মুসলিম ভাই-ই আমাকে সমর্থন করেছেন। হয়তো অনেকেই আমাকে আগে মানুষ বলেছি বলে ভুল বুঝেছেন।

আমি বিশ্বাস করি, মানুষ হিসেবে আমরা সবাই এক কাতারে দাঁড়াতে পারি। কিন্তু ধর্মকে পরিচয়ের ভিত্তি বানালে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে যাই। তাই আমার ধর্ম আমার অন্তরে। এটি মাইক দিয়ে ঘোষণা করা বা উচ্চস্বরে বলার প্রয়োজন আমি অনুভব করি না। কারণ সৃষ্টিকর্তা তো জানেন- ‘আমরা কী করছি, কী বিশ্বাস করছি এবং কাকে উপলব্ধি করছি’।

সূত্র: কালবেলা

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী?

‘মানুষের জয়গান গাওয়া’ ভাইরাল সেই তরুণের নাম আজহারুল

আপডেট : ০১:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

‘মানুষের জয়গান গাওয়া’ ভাইরাল সেই তরুণের নাম আজহারুল

-তুমি হিন্দু? –আমি আগে মানুষ

ক্ষয়িষ্ণুমান সময়ে লৌহদৃপ্ত স্পর্ধা নিয়ে এভাবে কথা বলে আলোচনার ঝড় তোলা সেই তরুণের নাম মো. আজহারুল। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে বানানো ‘রাজিব শাহের আস্তানাসহ’ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় এক ব্যক্তির সঙ্গে আজহারুলের এমন কথোপকথন সম্প্রতি ভাইরাল হয়।

 এই অল্প বয়সে আজহারুল যেভাবে কথা বলেছেন এবং তার কথার বিষয়বস্তুতে অসাম্প্রদায়িকতার যে বার্তা ফুটে উঠেছে, তার জন্যই মূলত তিনি মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনরা লিখছেন, আজহারুলের কথায় ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ বাণীর প্রতিধ্বনি আছে।

ভিডিও চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার পর আজহারুল মঙ্গলবার সকালে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এই জায়গায় যদি মসজিদের বদলে নতুন করে কোনো মন্দির নির্মাণ করা হতো, তাহলেও আমি একইভাবে বলতাম, এখানে মসজিদ ও গির্জা নির্মাণের সমান অধিকারও থাকতে হবে। প্রয়োজনে মসজিদ নির্মাণে আমি নিজেই অর্থায়ন করতাম।’

‘কারণ আমার কাছে প্রশ্নটি কোনো একটি ধর্মের নয়, প্রশ্নটি ন্যায্যতা, সমঅধিকার ও আইনের সমান প্রয়োগের। এই নীতির ক্ষেত্রে আমি একবিন্দুও ছাড় দিতাম না।

তবে দুঃখের বিষয়, মন্তব্যগুলো দেখে মনে হলো সনাতনী ভাই-বোনদের পাশাপাশি খুব অল্প কিছু মুসলিম ভাই-ই আমাকে সমর্থন করেছেন। হয়তো অনেকেই আমাকে আগে মানুষ বলেছি বলে ভুল বুঝেছেন।

আমি বিশ্বাস করি, মানুষ হিসেবে আমরা সবাই এক কাতারে দাঁড়াতে পারি। কিন্তু ধর্মকে পরিচয়ের ভিত্তি বানালে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে যাই। তাই আমার ধর্ম আমার অন্তরে। এটি মাইক দিয়ে ঘোষণা করা বা উচ্চস্বরে বলার প্রয়োজন আমি অনুভব করি না। কারণ সৃষ্টিকর্তা তো জানেন- ‘আমরা কী করছি, কী বিশ্বাস করছি এবং কাকে উপলব্ধি করছি’।

সূত্র: কালবেলা