ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী? Logo বাংলাদেশ-জাপান ৬ চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি Logo যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা দিতে যুদ্ধের মূল্য চুকানোর হুঁশিয়ারি ইরানের Logo আইসিসিবিতে শুরু হলো পাঁচ দিনব্যাপী দেশীয় ফার্নিচার মেলা Logo অনিশ্চয়তায় সাপের বিষের অ্যান্টিভেনম তৈরি, অর্থাভাবে ধুঁকছে গবেষণাকেন্দ্র Logo চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিক পাচার Logo জাপানের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে পোস্টে যা বললেন Logo সমুদ্রবন্দর ও শিল্প পার্ক নির্মাণে পিপিপি মডেল চায় সোজিৎজ ও এনার্জিপ্যাক Logo বিশ্ব জ্বালানির রূপান্তর পারমাণবিক শক্তিকে ছাড়াল বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ Logo পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান

হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের প্রশংসা করল সৌদি আরব

  • TV Today HD Desk:
  • আপডেট : ০৮:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ১১৮ Time View

হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের প্রশংসা করল সৌদি আরব

২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের দক্ষতা ও সুশৃঙ্খলার জন্য ধর্ম   মন্ত্রনালয়ের কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ।

বুধবার (১০ জুন) সৌদি আরবের রিয়াদে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ প্রশংসা করেন সৌদির মন্ত্রী।সেই সঙ্গে তিনি আগামীতে সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশের সহায়তা ও আসা করেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী এ বছরের হজের সার্বিক ব্যবস্থাপনার সাফল্যে বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং আন্তরিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সেবা প্রদানের জন্য ধর্মমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

ড. আল রাবিয়াহ বলেন, এ বছর বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও কার্যকর। হজযাত্রীদের সেবায় বাংলাদেশ যে দক্ষতা ও সমন্বয়ের পরিচয় দিয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার।

ভবিষ্যতে হজ ব্যবস্থাপনার আরও উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী। এ সময় তিনি ২০২৭ সালের হজ ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত ও প্রযুক্তি-নির্ভর করতে সৌদি সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পরিকল্পনা ও পদক্ষেপের বিষয়েও ধর্মমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

জবাবে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ সামগ্রিক হজ ব্যবস্থাপনার অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ভিড় ব্যবস্থাপনা, তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং মাশায়ের অঞ্চলে উন্নত সেবাদানের মাধ্যমে সৌদি সরকার এ বছর হজ পালনের জন্য অত্যন্ত সহায়ক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করেছে।

ধর্মমন্ত্রী সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক আল রাবিয়াহর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আল্লাহর মেহমানদের সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে সৌদি সরকারের নেওয়া উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময় সৌদি আরবের পাশে থাকবে।

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক ভবিষ্যতে হজ ব্যবস্থাপনা ও ধর্মীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

বৈঠকে সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন, কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলামসহ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে হজ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী?

হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের প্রশংসা করল সৌদি আরব

আপডেট : ০৮:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের প্রশংসা করল সৌদি আরব

২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের দক্ষতা ও সুশৃঙ্খলার জন্য ধর্ম   মন্ত্রনালয়ের কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ।

বুধবার (১০ জুন) সৌদি আরবের রিয়াদে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ প্রশংসা করেন সৌদির মন্ত্রী।সেই সঙ্গে তিনি আগামীতে সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশের সহায়তা ও আসা করেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী এ বছরের হজের সার্বিক ব্যবস্থাপনার সাফল্যে বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং আন্তরিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সেবা প্রদানের জন্য ধর্মমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

ড. আল রাবিয়াহ বলেন, এ বছর বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও কার্যকর। হজযাত্রীদের সেবায় বাংলাদেশ যে দক্ষতা ও সমন্বয়ের পরিচয় দিয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার।

ভবিষ্যতে হজ ব্যবস্থাপনার আরও উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী। এ সময় তিনি ২০২৭ সালের হজ ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত ও প্রযুক্তি-নির্ভর করতে সৌদি সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পরিকল্পনা ও পদক্ষেপের বিষয়েও ধর্মমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

জবাবে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ সামগ্রিক হজ ব্যবস্থাপনার অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ভিড় ব্যবস্থাপনা, তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং মাশায়ের অঞ্চলে উন্নত সেবাদানের মাধ্যমে সৌদি সরকার এ বছর হজ পালনের জন্য অত্যন্ত সহায়ক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করেছে।

ধর্মমন্ত্রী সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক আল রাবিয়াহর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আল্লাহর মেহমানদের সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে সৌদি সরকারের নেওয়া উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময় সৌদি আরবের পাশে থাকবে।

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক ভবিষ্যতে হজ ব্যবস্থাপনা ও ধর্মীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

বৈঠকে সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন, কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলামসহ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে হজ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়।