ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী? Logo বাংলাদেশ-জাপান ৬ চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি Logo যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা দিতে যুদ্ধের মূল্য চুকানোর হুঁশিয়ারি ইরানের Logo আইসিসিবিতে শুরু হলো পাঁচ দিনব্যাপী দেশীয় ফার্নিচার মেলা Logo অনিশ্চয়তায় সাপের বিষের অ্যান্টিভেনম তৈরি, অর্থাভাবে ধুঁকছে গবেষণাকেন্দ্র Logo চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিক পাচার Logo জাপানের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে পোস্টে যা বললেন Logo সমুদ্রবন্দর ও শিল্প পার্ক নির্মাণে পিপিপি মডেল চায় সোজিৎজ ও এনার্জিপ্যাক Logo বিশ্ব জ্বালানির রূপান্তর পারমাণবিক শক্তিকে ছাড়াল বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ Logo পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান

প্যারিস দ্রুতই মুসলিমদের শহরে পরিণত হবে: ট্রাম্প

  • TV Today HD Desk:
  • আপডেট : ১২:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৫ Time View

প্যারিস দ্রুতই মুসলিমদের শহরে পরিণত হবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

টিভি টুডে ডেস্ক:

ফ্রান্সে চলমান সহিংসতা ও দাঙ্গার জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর অভিবাসননীতিকে দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ইউরোপীয় এই নেতা যদি অভিবাসন বিষয়ে তার পরামর্শ শুনতেন, তবে এই বিশৃঙ্খলা এড়ানো যেত।

হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, প্যারিস খুব দ্রুতই একটি মুসলিম শহরে পরিণত হতে যাচ্ছে, যা এমনটা হওয়ার কথা ছিল না।

তিনি অভিযোগ করেন, অভিবাসীদের লাগামহীন প্রবেশের কারণে ফরাসি রাজধানীর জনমিতি নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে।

ম্যাক্রোঁকে নিজের বন্ধু উল্লেখ করে ট্রাম্প আরও বলেন, আমি অনেক আগেই তাকে বলেছিলাম, আপনি ফ্রান্সে একটি বড় ভুল করছেন। আপনি বিশ্বের সব স্থান থেকে মানুষকে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছেন। পুরো বিশ্বই যেন সেখানে চলে আসছিল। এবং আপনারা যেমনটা দেখছেন, প্যারিস খুব দ্রুতই একটি মুসলিম শহরে পরিণত হতে যাচ্ছে, যা কাম্য ছিল না।

ফ্রান্সে কয়েক সপ্তাহ আগে বিক্ষোভ শুরু হয়। শিক্ষকসংকট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবনতিশীল অবকাঠামো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অস্বচ্ছ পদ্ধতির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। পরে শ্রমিক ইউনিয়নগুলোও এ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানায়। তাদের দাবির মধ্যে ছিল পণ্যমূল্য কমানো, পেনশন বৃদ্ধি ও মজুরি বাড়ানো।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক নানা অসন্তোষের কারণে বিক্ষোভের পরিধি আরও বাড়তে থাকে। শনিবার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও বিভিন্ন স্থানে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে একটি ঐতিহাসিক টাউন হল আগুনে পুড়ে যায় এবং ১ হাজার ৮০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার ফ্রান্সের কয়েকটি শহরে রাতের বেলায় কারফিউ জারি করে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে প্যারিসের কিছু এলাকাও রয়েছে।

সূত্র: আল- জাজিরা, ইন্ডিয়া টুডে, সিএনএন

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী?

প্যারিস দ্রুতই মুসলিমদের শহরে পরিণত হবে: ট্রাম্প

আপডেট : ১২:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

প্যারিস দ্রুতই মুসলিমদের শহরে পরিণত হবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

টিভি টুডে ডেস্ক:

ফ্রান্সে চলমান সহিংসতা ও দাঙ্গার জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর অভিবাসননীতিকে দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ইউরোপীয় এই নেতা যদি অভিবাসন বিষয়ে তার পরামর্শ শুনতেন, তবে এই বিশৃঙ্খলা এড়ানো যেত।

হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, প্যারিস খুব দ্রুতই একটি মুসলিম শহরে পরিণত হতে যাচ্ছে, যা এমনটা হওয়ার কথা ছিল না।

তিনি অভিযোগ করেন, অভিবাসীদের লাগামহীন প্রবেশের কারণে ফরাসি রাজধানীর জনমিতি নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে।

ম্যাক্রোঁকে নিজের বন্ধু উল্লেখ করে ট্রাম্প আরও বলেন, আমি অনেক আগেই তাকে বলেছিলাম, আপনি ফ্রান্সে একটি বড় ভুল করছেন। আপনি বিশ্বের সব স্থান থেকে মানুষকে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছেন। পুরো বিশ্বই যেন সেখানে চলে আসছিল। এবং আপনারা যেমনটা দেখছেন, প্যারিস খুব দ্রুতই একটি মুসলিম শহরে পরিণত হতে যাচ্ছে, যা কাম্য ছিল না।

ফ্রান্সে কয়েক সপ্তাহ আগে বিক্ষোভ শুরু হয়। শিক্ষকসংকট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবনতিশীল অবকাঠামো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অস্বচ্ছ পদ্ধতির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। পরে শ্রমিক ইউনিয়নগুলোও এ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানায়। তাদের দাবির মধ্যে ছিল পণ্যমূল্য কমানো, পেনশন বৃদ্ধি ও মজুরি বাড়ানো।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক নানা অসন্তোষের কারণে বিক্ষোভের পরিধি আরও বাড়তে থাকে। শনিবার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও বিভিন্ন স্থানে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে একটি ঐতিহাসিক টাউন হল আগুনে পুড়ে যায় এবং ১ হাজার ৮০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার ফ্রান্সের কয়েকটি শহরে রাতের বেলায় কারফিউ জারি করে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে প্যারিসের কিছু এলাকাও রয়েছে।

সূত্র: আল- জাজিরা, ইন্ডিয়া টুডে, সিএনএন