ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী? Logo বাংলাদেশ-জাপান ৬ চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি Logo যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা দিতে যুদ্ধের মূল্য চুকানোর হুঁশিয়ারি ইরানের Logo আইসিসিবিতে শুরু হলো পাঁচ দিনব্যাপী দেশীয় ফার্নিচার মেলা Logo অনিশ্চয়তায় সাপের বিষের অ্যান্টিভেনম তৈরি, অর্থাভাবে ধুঁকছে গবেষণাকেন্দ্র Logo চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিক পাচার Logo জাপানের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে পোস্টে যা বললেন Logo সমুদ্রবন্দর ও শিল্প পার্ক নির্মাণে পিপিপি মডেল চায় সোজিৎজ ও এনার্জিপ্যাক Logo বিশ্ব জ্বালানির রূপান্তর পারমাণবিক শক্তিকে ছাড়াল বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ Logo পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান

আসিয়ান দেশগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চায় ডিসিসিআই

  • TV Today HD Desk:
  • আপডেট : ১১:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩১ Time View

আসিয়ান দেশগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চায় ডিসিসিআই

আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) -এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ। কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা ও বিনিয়োগ আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান। তৈরি পোশাক, ঔষধ, ইলেক্ট্রনিক্স, তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং খাদ্যপণ্য আসিয়ান বাজারে পাঠানোর ওপর জোর দেওয়া হয় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায়।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)  ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব মালয়েশিয়া (এনসিসিআইএম) এবং ফেডারেশন অব মালয়েশিয়ান ম্যানুফ্যাকচারিং (এফএমএম)-এর সঙ্গে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ এই সহযোগিতা কামনা করেন।

কুয়ালালামপুরে এনসিসিআইএম কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট চেম্বারসমূহের মিলনায়তনে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক এসব পৃথক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এনসিসিআইএম আয়োজিত ‘মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম: ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ঔষধ, ইলেকট্রনিক্স, তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন খাতের পণ্য ও সেবা আসিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোতে রপ্তানির ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় তিনি বাংলাদেশের বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজারের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে মালয়েশিয়ার পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণের সুযোগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে এনসিসিআইএম-এর সভাপতি নরসিয়াহরিন বিন হামদিন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে এবং এ ধরনের ব্যবসায়িক যোগাযোগ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশে প্রধানত পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য রপ্তানি করলেও বাংলাদেশের বৃহৎ ও ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত ভোক্তা শ্রেণির বাজারে মালয়েশিয়ায় উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য সম্প্রসারণের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তাদের আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এসব আলোচনার আগে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনার ওপর ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজীব এইচ চৌধুরী একটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এ ছাড়া ২৫ সেপ্টেম্বর, ফেডারেশন অব মালয়েশিয়ান ম্যানুফেকচারিং (এফএমএম) আয়োজিত ‘স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম : বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বিজনেস অ্যান্ড ট্রেড অপরচুনিটিজ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনের সভাপতি সভাপতি জ্যাকব লি চোর কক বলেন, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে বিকশিত হয়েছে এবং এর সঙ্গে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পৃক্ততাও ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে।

জ্যাকব লি চোর কক বলেন, বেসরকারি খাতের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যমান সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বেসরকারি খাতের পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদার করা সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

এফএমএম সভাপতি মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে মালয়েশিয়ায় দক্ষ, পরিশ্রমী ও মানসম্পন্ন জনশক্তি সরবরাহ করে আসছে, যারা দেশটির অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এসব কর্মী বাংলাদেশে ফিরে গেলে মালয়েশিয়ায় অর্জিত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও বিশেষায়িত জ্ঞান দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়নে কাজে লাগাতে পারবেন। এর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে মানবসম্পদ ও জ্ঞান বিনিময়ের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে মালয়োশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মানজুরুল করিম খান চৌধুরী, সিনিয়র ডিরেক্টর, এশিয়া প্যাসেফিক ইকোনোমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড রিজওন্যাল গ্রুপিংস ডিভিশন, মিনিস্ট্রি অব ইনভেস্টমেন্ট, ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব মালয়েশিয়া ড. রাশেদি সাইদ এবং মালয়েশিয়া এক্সেট্রানাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (মারট্রেড)-এর পরিচালক (সেন্ট্রাল, ওয়েস্ট, সাউথ এশিয়া অ্যান্ড আফ্রিকা সেকশন) নাইম আব্দুল রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগে অধিকতর সহযোগিতা সম্প্রসারণে ঢাকা চেম্বার এবং এফএমএম-এর মধ্যকার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ এবং এফএমএম’এর সভাপতি জ্যাকব লি চোর কক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ উক্ত সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

দুদেশের উদ্যেক্তাবৃন্দ অনুষ্ঠিত প্রায় ৭০টি বিটিুবি ম্যাচ-মেকিং সেশনে সক্রিয়ভাবে যোগদানের মাধ্যম ব্যবসা ও বিনিয়োগ বিষয়ক তথ্য আদান-প্রদান করেন।

–টিভি টুডে

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী?

আসিয়ান দেশগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চায় ডিসিসিআই

আপডেট : ১১:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসিয়ান দেশগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চায় ডিসিসিআই

আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) -এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ। কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা ও বিনিয়োগ আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান। তৈরি পোশাক, ঔষধ, ইলেক্ট্রনিক্স, তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং খাদ্যপণ্য আসিয়ান বাজারে পাঠানোর ওপর জোর দেওয়া হয় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায়।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)  ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব মালয়েশিয়া (এনসিসিআইএম) এবং ফেডারেশন অব মালয়েশিয়ান ম্যানুফ্যাকচারিং (এফএমএম)-এর সঙ্গে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ এই সহযোগিতা কামনা করেন।

কুয়ালালামপুরে এনসিসিআইএম কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট চেম্বারসমূহের মিলনায়তনে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক এসব পৃথক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এনসিসিআইএম আয়োজিত ‘মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম: ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ঔষধ, ইলেকট্রনিক্স, তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন খাতের পণ্য ও সেবা আসিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোতে রপ্তানির ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় তিনি বাংলাদেশের বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজারের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে মালয়েশিয়ার পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণের সুযোগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে এনসিসিআইএম-এর সভাপতি নরসিয়াহরিন বিন হামদিন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে এবং এ ধরনের ব্যবসায়িক যোগাযোগ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশে প্রধানত পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য রপ্তানি করলেও বাংলাদেশের বৃহৎ ও ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত ভোক্তা শ্রেণির বাজারে মালয়েশিয়ায় উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য সম্প্রসারণের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তাদের আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এসব আলোচনার আগে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনার ওপর ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজীব এইচ চৌধুরী একটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এ ছাড়া ২৫ সেপ্টেম্বর, ফেডারেশন অব মালয়েশিয়ান ম্যানুফেকচারিং (এফএমএম) আয়োজিত ‘স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম : বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বিজনেস অ্যান্ড ট্রেড অপরচুনিটিজ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনের সভাপতি সভাপতি জ্যাকব লি চোর কক বলেন, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে বিকশিত হয়েছে এবং এর সঙ্গে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পৃক্ততাও ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে।

জ্যাকব লি চোর কক বলেন, বেসরকারি খাতের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যমান সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বেসরকারি খাতের পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদার করা সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

এফএমএম সভাপতি মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে মালয়েশিয়ায় দক্ষ, পরিশ্রমী ও মানসম্পন্ন জনশক্তি সরবরাহ করে আসছে, যারা দেশটির অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এসব কর্মী বাংলাদেশে ফিরে গেলে মালয়েশিয়ায় অর্জিত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও বিশেষায়িত জ্ঞান দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়নে কাজে লাগাতে পারবেন। এর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে মানবসম্পদ ও জ্ঞান বিনিময়ের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে মালয়োশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মানজুরুল করিম খান চৌধুরী, সিনিয়র ডিরেক্টর, এশিয়া প্যাসেফিক ইকোনোমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড রিজওন্যাল গ্রুপিংস ডিভিশন, মিনিস্ট্রি অব ইনভেস্টমেন্ট, ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব মালয়েশিয়া ড. রাশেদি সাইদ এবং মালয়েশিয়া এক্সেট্রানাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (মারট্রেড)-এর পরিচালক (সেন্ট্রাল, ওয়েস্ট, সাউথ এশিয়া অ্যান্ড আফ্রিকা সেকশন) নাইম আব্দুল রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগে অধিকতর সহযোগিতা সম্প্রসারণে ঢাকা চেম্বার এবং এফএমএম-এর মধ্যকার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ এবং এফএমএম’এর সভাপতি জ্যাকব লি চোর কক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ উক্ত সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

দুদেশের উদ্যেক্তাবৃন্দ অনুষ্ঠিত প্রায় ৭০টি বিটিুবি ম্যাচ-মেকিং সেশনে সক্রিয়ভাবে যোগদানের মাধ্যম ব্যবসা ও বিনিয়োগ বিষয়ক তথ্য আদান-প্রদান করেন।

–টিভি টুডে