ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী? Logo বাংলাদেশ-জাপান ৬ চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি Logo যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা দিতে যুদ্ধের মূল্য চুকানোর হুঁশিয়ারি ইরানের Logo আইসিসিবিতে শুরু হলো পাঁচ দিনব্যাপী দেশীয় ফার্নিচার মেলা Logo অনিশ্চয়তায় সাপের বিষের অ্যান্টিভেনম তৈরি, অর্থাভাবে ধুঁকছে গবেষণাকেন্দ্র Logo চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিক পাচার Logo জাপানের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে পোস্টে যা বললেন Logo সমুদ্রবন্দর ও শিল্প পার্ক নির্মাণে পিপিপি মডেল চায় সোজিৎজ ও এনার্জিপ্যাক Logo বিশ্ব জ্বালানির রূপান্তর পারমাণবিক শক্তিকে ছাড়াল বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ Logo পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান

জুবাইদার স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস

  • TV Today HD Desk:
  • আপডেট : ০৮:৪২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • ৭৮ Time View

জুবাইদার স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস

আনন্দ উচ্ছ্বাসের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ডিএমসি) কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের মাঝে আজ বিরাজ করছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার সময় ডা. জুবাইদা রহমান এই হোস্টেলেই থাকতেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের সান্নিধ্যে এসে আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছেন হোস্টেলের ছাত্রীরা।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই তিনি সহধর্মিণীকে নিয়ে সরাসরি চলে যান কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলে। উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার সময় ডা. জুবাইদা রহমান এই হোস্টেলেই থাকতেন।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর আগমন উপলক্ষে হোস্টেলের মূল ফটকের সামনে আগে থেকেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন শিক্ষার্থীরা। প্রিয় ব্যক্তিত্বদের এত কাছে পেয়ে ছাত্রীরা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সময় পুরোনো দিনের স্মৃতি হাতড়ে বলেন, “আগে যখন জুবাইদাকে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম, তখন তাকে গাড়ির সামনের সিটে আমার পাশে বসিয়ে নিয়ে আসতাম। আজও আসার সময় তাকে বলেছি সামনের সিটে বসতে। পাশে বসিয়েই আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি।” উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তিনি বলেন, “দোয়া করি, আপনারা নিজ নিজ অবস্থানে অত্যন্ত সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত হোন।”

এ সময় নিজের চিরচেনা ক্যাম্পাসে এসে শিক্ষাজীবনের স্মৃতি মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, “আজ অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। এই ক্যাম্পাসে আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেকটা সময় কেটেছে। আজ সেই দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ছে।”

উৎসব মুখর পরিবেশে বর্তমান শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের সবসময় সামনের দিকে তাকাতে হবে। জীবনের টানাপোড়েনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত আসবে, তবে মনের ভেতর রাগ-ক্ষোভ পুষে রাখলে চলবে না। সব কাটিয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে হবে।” ঢাকা মেডিকেলকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মেডিকেল কলেজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে সারা বিশ্ব এখানকার চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানতে পারে। একদিন যেন এই মেডিকেল কলেজ নিয়ে আমরা আরও বড় করে গর্ব করতে পারি।”

কুশল বিনিময় ও স্মৃতিচারণ শেষে হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে দলবেঁধে সেলফি তোলেন, যা এই ঐতিহাসিক দিনটিকে ফ্রেমবন্দি করে রাখে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে আরও ৫০৮ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী?

জুবাইদার স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস

আপডেট : ০৮:৪২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

জুবাইদার স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস

আনন্দ উচ্ছ্বাসের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ডিএমসি) কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের মাঝে আজ বিরাজ করছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার সময় ডা. জুবাইদা রহমান এই হোস্টেলেই থাকতেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের সান্নিধ্যে এসে আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছেন হোস্টেলের ছাত্রীরা।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই তিনি সহধর্মিণীকে নিয়ে সরাসরি চলে যান কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলে। উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার সময় ডা. জুবাইদা রহমান এই হোস্টেলেই থাকতেন।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর আগমন উপলক্ষে হোস্টেলের মূল ফটকের সামনে আগে থেকেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন শিক্ষার্থীরা। প্রিয় ব্যক্তিত্বদের এত কাছে পেয়ে ছাত্রীরা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সময় পুরোনো দিনের স্মৃতি হাতড়ে বলেন, “আগে যখন জুবাইদাকে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম, তখন তাকে গাড়ির সামনের সিটে আমার পাশে বসিয়ে নিয়ে আসতাম। আজও আসার সময় তাকে বলেছি সামনের সিটে বসতে। পাশে বসিয়েই আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি।” উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তিনি বলেন, “দোয়া করি, আপনারা নিজ নিজ অবস্থানে অত্যন্ত সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত হোন।”

এ সময় নিজের চিরচেনা ক্যাম্পাসে এসে শিক্ষাজীবনের স্মৃতি মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, “আজ অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। এই ক্যাম্পাসে আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেকটা সময় কেটেছে। আজ সেই দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ছে।”

উৎসব মুখর পরিবেশে বর্তমান শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের সবসময় সামনের দিকে তাকাতে হবে। জীবনের টানাপোড়েনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত আসবে, তবে মনের ভেতর রাগ-ক্ষোভ পুষে রাখলে চলবে না। সব কাটিয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে হবে।” ঢাকা মেডিকেলকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মেডিকেল কলেজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে সারা বিশ্ব এখানকার চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানতে পারে। একদিন যেন এই মেডিকেল কলেজ নিয়ে আমরা আরও বড় করে গর্ব করতে পারি।”

কুশল বিনিময় ও স্মৃতিচারণ শেষে হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে দলবেঁধে সেলফি তোলেন, যা এই ঐতিহাসিক দিনটিকে ফ্রেমবন্দি করে রাখে।