ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আজ ও গাজীপুরে দুইশতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা Logo যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চার মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ Logo এক দিনেই সারাদেশে ৫২৯ পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা Logo আইসিসিবি ফার্নিচার মেলায় রিল্যাক্সজিন চেয়ার নিয়ে ম্যাজেস্টো ফার্নিচার Logo প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের নিয়ে ডিসেম্বরে বসবে আন্তর্জাতিক সম্মেলন Logo রাজউকে ভূমিদস্যুতার মামলায় দন্ডিত হাসেমপুত্র রাসেল কারাগারে  Logo সৌর প্রযুক্তির প্রসারে সোলার এক্সপো শুরু হচ্ছে ৩ নভেম্বর Logo আইসিসিবিতে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বারভিডা আয়োজিত কার এক্সপো Logo জমে উঠেছে রাজধানীর বসুন্ধরায় দেশীয় ব্র্যান্ডের ফার্নিচার মেলা Logo আইসিসিবি ফার্নিচার মেলায় রিজিয়নাল ব্র্যান্ড, আয়োতো ফার্নিচার

পাপেটম্যানখ্যাত ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ত্ব মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন

  • TV Today HD Desk:
  • আপডেট : ০১:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ১৭৯ Time View

পাপেটম্যানখ্যাত ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ত্ব মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন

চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার। ছবি: সংগৃহীত

বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ত্ব ও চিত্রশিল্পী, পাপেটম্যানখ্যাত মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ও ইয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স পেয়েছিল ৯১ বছর।

তথ্য সূত্রে জানা গেছে, মুস্তাফা মনোয়ার নিউমোনিয়ায় আক্লান্ত হয়ে গত ১৪ জুন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তরিত করা হয়। কয়েক দিন আগে তাঁর ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়। আজ সকাল সাড়ে ৯ টায় হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

‘বাংলাদেশের পাপেটম্যান’ হিসেবে খ্যাত শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া ও প্রোস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন।

২০০৪ সালে পেয়েছেন মুস্তাফা মনোয়ার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘একুশে পদক’।

মুস্তাফা মনোয়ারের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর। তাঁর বাবা কবি গোলাম মোস্তফা।

ছোটবেলা থেকেই তাঁর ছবি আঁকা আর গানের প্রতি আকর্ষণ। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় যোগ দেন রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে। জেলে যান ছবি আঁকার অপরাধে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের লাল সূর্যের অন্যতম স্থপতি তিনি। সৃষ্টি করেছেন ‘পারুল’-এর মতো জনপ্রিয় চরিত্র। জড়িত ছিলেন ‘মীনা’র সঙ্গে। নির্মাণ করেছেন শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশে বাংলাদেশের সবচেয়ে মানসম্পন্ন ও জনপ্রিয় অনুষ্ঠান নতুন কুঁড়ি। তাঁর নির্মিত অনুষ্ঠান মনের কথাও ব্যাপক সমাদৃত। কর্মজীবনের শুরুটা পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক হিসেবে। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা, শিল্পকলা একাডেমীসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে উচ্চ পদে কর্মরত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থী শিবিরে শিশুদের আতঙ্কগ্রস্ত মলিন চেহারা তাঁকে ব্যথিত করে। তাই বাচ্চাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সেই শরণার্থী শিবিরেই আয়োজন করেন জীবনের প্রথম পাপেট শো। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন আঙ্গিকে বাংলাদেশের শিল্পজগতে মুস্তাফা মনোয়ার মেলে ধরেন পাপেটের এক নতুন রূপ।

-টিভি টুডে

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আজ ও গাজীপুরে দুইশতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা

পাপেটম্যানখ্যাত ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ত্ব মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন

আপডেট : ০১:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

পাপেটম্যানখ্যাত ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ত্ব মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন

চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার। ছবি: সংগৃহীত

বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ত্ব ও চিত্রশিল্পী, পাপেটম্যানখ্যাত মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ও ইয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স পেয়েছিল ৯১ বছর।

তথ্য সূত্রে জানা গেছে, মুস্তাফা মনোয়ার নিউমোনিয়ায় আক্লান্ত হয়ে গত ১৪ জুন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তরিত করা হয়। কয়েক দিন আগে তাঁর ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়। আজ সকাল সাড়ে ৯ টায় হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

‘বাংলাদেশের পাপেটম্যান’ হিসেবে খ্যাত শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া ও প্রোস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন।

২০০৪ সালে পেয়েছেন মুস্তাফা মনোয়ার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘একুশে পদক’।

মুস্তাফা মনোয়ারের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর। তাঁর বাবা কবি গোলাম মোস্তফা।

ছোটবেলা থেকেই তাঁর ছবি আঁকা আর গানের প্রতি আকর্ষণ। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় যোগ দেন রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে। জেলে যান ছবি আঁকার অপরাধে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের লাল সূর্যের অন্যতম স্থপতি তিনি। সৃষ্টি করেছেন ‘পারুল’-এর মতো জনপ্রিয় চরিত্র। জড়িত ছিলেন ‘মীনা’র সঙ্গে। নির্মাণ করেছেন শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশে বাংলাদেশের সবচেয়ে মানসম্পন্ন ও জনপ্রিয় অনুষ্ঠান নতুন কুঁড়ি। তাঁর নির্মিত অনুষ্ঠান মনের কথাও ব্যাপক সমাদৃত। কর্মজীবনের শুরুটা পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক হিসেবে। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা, শিল্পকলা একাডেমীসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে উচ্চ পদে কর্মরত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থী শিবিরে শিশুদের আতঙ্কগ্রস্ত মলিন চেহারা তাঁকে ব্যথিত করে। তাই বাচ্চাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সেই শরণার্থী শিবিরেই আয়োজন করেন জীবনের প্রথম পাপেট শো। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন আঙ্গিকে বাংলাদেশের শিল্পজগতে মুস্তাফা মনোয়ার মেলে ধরেন পাপেটের এক নতুন রূপ।

-টিভি টুডে