ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আজ ও গাজীপুরে দুইশতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা Logo যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চার মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ Logo এক দিনেই সারাদেশে ৫২৯ পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা Logo আইসিসিবি ফার্নিচার মেলায় রিল্যাক্সজিন চেয়ার নিয়ে ম্যাজেস্টো ফার্নিচার Logo প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের নিয়ে ডিসেম্বরে বসবে আন্তর্জাতিক সম্মেলন Logo রাজউকে ভূমিদস্যুতার মামলায় দন্ডিত হাসেমপুত্র রাসেল কারাগারে  Logo সৌর প্রযুক্তির প্রসারে সোলার এক্সপো শুরু হচ্ছে ৩ নভেম্বর Logo আইসিসিবিতে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বারভিডা আয়োজিত কার এক্সপো Logo জমে উঠেছে রাজধানীর বসুন্ধরায় দেশীয় ব্র্যান্ডের ফার্নিচার মেলা Logo আইসিসিবি ফার্নিচার মেলায় রিজিয়নাল ব্র্যান্ড, আয়োতো ফার্নিচার

আবাসন খাতে আরোপিত নতুন কর প্রত্যাহারের দাবি রিহ্যাবের

  • TV Today HD Desk:
  • আপডেট : ০৫:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ১৩৪ Time View

আবাসন খাতে আরোপিত নতুন কর প্রত্যাহারের দাবি রিহ্যাবের

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগকে স্বাগত জানিয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। তবে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে জমির মালিকদের প্রাপ্ত ফ্ল্যাটের ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব প্রত্যাহার এবং ফ্ল্যাট ও জমি নিবন্ধন ব্যয় ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে রিহ্যাব। সংগঠনটির আশংকা, এসব প্রস্তাব বহাল থাকলে আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমবে এবং ফ্ল্যাটের দাম আরও বেড়ে যাবে।

সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ উপলক্ষে রিহ্যাবের প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল।

সংগঠনটি ফ্ল্যাটের ওপর নতুন আরোপিত ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা নানাভাবে সরকারকে কর দেন। কিন্তু বাজেটের কর প্রস্তাব দেখে মনে হচ্ছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী আবাসন খাতকে রাজস্ব আদায়ের যন্ত্র বানাতে চাচ্ছে প্রশাসন। এ সময় আবাসন খাতে আরোপিত নতুন কর ও শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আবদুর রাজ্জাক, সহ-সভাপতি আবু খালিদ মো. বরকত উল্লাহ, সহসভাপতি এ এফ এম ওবায়দুল্লাহ ও সহসভাপতি (অর্থ) মো. হারুন অর রশিদ প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল বলেন, আবাসন কোম্পানিগুলো জমির মালিককে চুক্তি সইয়ের সময় যে অর্থ দেয়, বিদ্যমান নিয়মে তার ওপর ১৫ শতাংশ কর দিতে হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, এই অর্থের বাইরে ডেভেলপার কোম্পানির তৈরি ফ্ল্যাটের ওপরও ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে জমির মালিকদের।

আলী আফজাল উদাহরণ দিয়ে বলেন, ২৪টি ফ্ল্যাটের ১টি প্রকল্পে যদি জমির মালিক ১২টি ফ্ল্যাট পান এবং সেই ১২টি ফ্ল্যাটের বাজারমূল্য ১২ কোটি টাকা হয়, তবে তাঁকে ১৫ শতাংশ হারে নতুন করে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা কর দিতে হবে। অর্থাৎ জমির মালিককে প্রায় ২টি নতুন ফ্ল্যাটের সমপরিমাণ টাকা কর বাবদ দিতে হবে।

রিহ্যাব সভাপতি জানান, জমির মালিক এই টাকা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আদায় করার চেষ্টা করবেন। ফলে শেষ পর্যন্ত ফ্ল্যাটের দাম আরও বাড়বে। তিনি বলেন, ‘আমরা অবিলম্বে এই নতুন কর প্রত্যাহারের দাবি জানাই। অন্যথায় আমাদের রাস্তায় নামতে হবে। একই সঙ্গে রডসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর ওপর অতিরিক্ত কর আরোপেরও প্রতিবাদ জানান তিনি।’

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, প্রস্তাবিত বাজেটে ভবন, ফ্ল্যাট ও জমি ক্রয়ে বিনা প্রশ্নে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি স্বাগত জানিয়েছে রিহ্যাব। সংগঠনটি বলেছে, এর ফলে অর্থনীতির মূলধারায় নতুন অর্থ প্রবাহিত হবে এবং আবাসন খাতসহ পুরো অর্থনীতি উপকৃত হবে।

রিহ্যাব সভাপতি আলী আফজাল বলেন, বর্তমানে নিবন্ধন ব্যয় ১৩ শতাংশের ওপর থাকায় ফ্ল্যাট ও জমি কেনাবেচা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে আবাসন খাতে নিবন্ধন ব্যয় সর্বোচ্চ। প্রাক্‌–বাজেট আলোচনায় নিবন্ধন ব্যয় কমিয়ে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছিল রিহ্যাব। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

আলী আফজাল জানান, গত কয়েক বছরে প্রায় সব ধরনের নির্মাণসামগ্রীর ব্যয় বেড়েছে। আগের তুলনায় ফ্ল্যাট নির্মাণে খরচ বেড়েছে ৫০ শতাংশ। স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণের সুবিধা না থাকায় মধ্যবিত্তরা বাজার থেকে ছিটকে পড়ছেন। এ ছাড়া বিগত আড়াই বছরে তিনটি সরকারের পরিবর্তন ও নীতিগত অস্থিরতার কারণে আবাসন খাতে ক্রেতার সংকট ও একধরনের ভীতি কাজ করছে বলে জানান তিনি।

রিহ্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রস্তাবিত বাজেটে পিভিসি রেজিন ও পেট রেজিনের কর দ্বিগুণ করা হয়েছে, কোল্ড-রোল্ড কয়েলে ১০ শতাংশ শুল্ক আর কপার তার ও টিউবে কর বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এমনিতেই প্রতি টন রডের দাম তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা বাড়বে। এর ওপর নতুন শুল্ক ও করের বোঝার কারণে আবাসন শিল্পের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দুই কোটি মানুষের আয় মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে।

রিহ্যাব সভাপতি আলী আফজালের দাবি, মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) আবাসন খাতের অবদান ১৫ থেকে ১৬ শতাংশ। এ খাতে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। এই খাত গতিশীল না হলে বাজেটে প্রস্তাবিত সাড়ে ৬ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পরিকল্পনা ঝুঁকিতে পড়বে।

এই পরিস্থিতিতে বাজেট পাস হওয়ার আগে আবাসনশিল্পে নতুন আরোপিত সব কর প্রত্যাহার ও রিহ্যাবের অন্যান্য প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর প্রতি দাবি জানান রিহ্যাব নেতৃবৃন্দ।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আজ ও গাজীপুরে দুইশতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা

আবাসন খাতে আরোপিত নতুন কর প্রত্যাহারের দাবি রিহ্যাবের

আপডেট : ০৫:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

আবাসন খাতে আরোপিত নতুন কর প্রত্যাহারের দাবি রিহ্যাবের

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগকে স্বাগত জানিয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। তবে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে জমির মালিকদের প্রাপ্ত ফ্ল্যাটের ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব প্রত্যাহার এবং ফ্ল্যাট ও জমি নিবন্ধন ব্যয় ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে রিহ্যাব। সংগঠনটির আশংকা, এসব প্রস্তাব বহাল থাকলে আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমবে এবং ফ্ল্যাটের দাম আরও বেড়ে যাবে।

সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ উপলক্ষে রিহ্যাবের প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল।

সংগঠনটি ফ্ল্যাটের ওপর নতুন আরোপিত ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা নানাভাবে সরকারকে কর দেন। কিন্তু বাজেটের কর প্রস্তাব দেখে মনে হচ্ছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী আবাসন খাতকে রাজস্ব আদায়ের যন্ত্র বানাতে চাচ্ছে প্রশাসন। এ সময় আবাসন খাতে আরোপিত নতুন কর ও শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আবদুর রাজ্জাক, সহ-সভাপতি আবু খালিদ মো. বরকত উল্লাহ, সহসভাপতি এ এফ এম ওবায়দুল্লাহ ও সহসভাপতি (অর্থ) মো. হারুন অর রশিদ প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল বলেন, আবাসন কোম্পানিগুলো জমির মালিককে চুক্তি সইয়ের সময় যে অর্থ দেয়, বিদ্যমান নিয়মে তার ওপর ১৫ শতাংশ কর দিতে হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, এই অর্থের বাইরে ডেভেলপার কোম্পানির তৈরি ফ্ল্যাটের ওপরও ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে জমির মালিকদের।

আলী আফজাল উদাহরণ দিয়ে বলেন, ২৪টি ফ্ল্যাটের ১টি প্রকল্পে যদি জমির মালিক ১২টি ফ্ল্যাট পান এবং সেই ১২টি ফ্ল্যাটের বাজারমূল্য ১২ কোটি টাকা হয়, তবে তাঁকে ১৫ শতাংশ হারে নতুন করে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা কর দিতে হবে। অর্থাৎ জমির মালিককে প্রায় ২টি নতুন ফ্ল্যাটের সমপরিমাণ টাকা কর বাবদ দিতে হবে।

রিহ্যাব সভাপতি জানান, জমির মালিক এই টাকা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আদায় করার চেষ্টা করবেন। ফলে শেষ পর্যন্ত ফ্ল্যাটের দাম আরও বাড়বে। তিনি বলেন, ‘আমরা অবিলম্বে এই নতুন কর প্রত্যাহারের দাবি জানাই। অন্যথায় আমাদের রাস্তায় নামতে হবে। একই সঙ্গে রডসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর ওপর অতিরিক্ত কর আরোপেরও প্রতিবাদ জানান তিনি।’

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, প্রস্তাবিত বাজেটে ভবন, ফ্ল্যাট ও জমি ক্রয়ে বিনা প্রশ্নে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি স্বাগত জানিয়েছে রিহ্যাব। সংগঠনটি বলেছে, এর ফলে অর্থনীতির মূলধারায় নতুন অর্থ প্রবাহিত হবে এবং আবাসন খাতসহ পুরো অর্থনীতি উপকৃত হবে।

রিহ্যাব সভাপতি আলী আফজাল বলেন, বর্তমানে নিবন্ধন ব্যয় ১৩ শতাংশের ওপর থাকায় ফ্ল্যাট ও জমি কেনাবেচা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে আবাসন খাতে নিবন্ধন ব্যয় সর্বোচ্চ। প্রাক্‌–বাজেট আলোচনায় নিবন্ধন ব্যয় কমিয়ে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছিল রিহ্যাব। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

আলী আফজাল জানান, গত কয়েক বছরে প্রায় সব ধরনের নির্মাণসামগ্রীর ব্যয় বেড়েছে। আগের তুলনায় ফ্ল্যাট নির্মাণে খরচ বেড়েছে ৫০ শতাংশ। স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণের সুবিধা না থাকায় মধ্যবিত্তরা বাজার থেকে ছিটকে পড়ছেন। এ ছাড়া বিগত আড়াই বছরে তিনটি সরকারের পরিবর্তন ও নীতিগত অস্থিরতার কারণে আবাসন খাতে ক্রেতার সংকট ও একধরনের ভীতি কাজ করছে বলে জানান তিনি।

রিহ্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রস্তাবিত বাজেটে পিভিসি রেজিন ও পেট রেজিনের কর দ্বিগুণ করা হয়েছে, কোল্ড-রোল্ড কয়েলে ১০ শতাংশ শুল্ক আর কপার তার ও টিউবে কর বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এমনিতেই প্রতি টন রডের দাম তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা বাড়বে। এর ওপর নতুন শুল্ক ও করের বোঝার কারণে আবাসন শিল্পের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দুই কোটি মানুষের আয় মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে।

রিহ্যাব সভাপতি আলী আফজালের দাবি, মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) আবাসন খাতের অবদান ১৫ থেকে ১৬ শতাংশ। এ খাতে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। এই খাত গতিশীল না হলে বাজেটে প্রস্তাবিত সাড়ে ৬ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পরিকল্পনা ঝুঁকিতে পড়বে।

এই পরিস্থিতিতে বাজেট পাস হওয়ার আগে আবাসনশিল্পে নতুন আরোপিত সব কর প্রত্যাহার ও রিহ্যাবের অন্যান্য প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর প্রতি দাবি জানান রিহ্যাব নেতৃবৃন্দ।