
বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল কসমেটিকস, পার্সোনাল কেয়ার এবং হাইজিন পণ্যের বাজারের সম্ভাবনা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের সামনে তুলে ধরা হবে। কসমেটিকস, পার্সোনাল কেয়ার এবং হাইজিন পণ্যের বাজার ৩৫ হাজার কোটি টাকার। এ লক্ষে দ্বিতীয়বারের মতো শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬’।
আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এ আয়োজন চলবে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি) তে প্রদর্শনীটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সকলের জন্য থাকবে উন্মুক্ত।
তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে থাকবে শতাধিক পণ্যের স্টল, বাংলাদেশ ছাড়াও এই প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ভারতসহ ১৬টি দেশের খ্যাতনামা সব প্রসাধনী ব্র্যান্ড, প্রস্তুতকারক, সরবরাহকারী, খুচরা বিক্রেতা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। প্রদর্শনীতে থাকছে লাইভ ডেমো, বিউটি কনসালটেশন, স্কিনকেয়ার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা এবং উদ্যোক্তাদের জন্য নেটওয়ার্কিং গড়ে তোলার সুযোগ।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এই শিল্পে স্থানীয় কাঁচামাল উৎপাদন, আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি, মান নিয়ন্ত্রণ, গবেষণা-উন্নয়ন ও পরিবেশ সম্মত প্যাকেজিং এবং রপ্তানিমুখী উৎপাদনে বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল ও উপকরণ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে আমদানি নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়া ও অন্যান্য আঞ্চলিক বাজারে ও রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়বে।
এবারের কসমেটিকস, স্কিনকেয়ার, ফ্র্যাগ্রেন্স, পার্সোনাল কেয়ার ও হাইজিন পণ্য, প্রযুক্তি ও সেবা প্রদর্শনের পাশাপাশি ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং ও বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে। আয়োজকদের আশা, এই প্রদর্শনী বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।’
কসমেটিকস প্রদর্শনীর আয়োজক প্রতিষ্ঠান স্কোয়াডমাইন্ড গ্লোবাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানজিন সুলতানা প্রিয়াংকা বলেন, ‘বাংলাদেশের কসমেটিকস, স্কিনকেয়ার, ফ্র্যাগ্রেন্স ও পার্সোনাল কেয়ার খাত এখন একটি সম্ভাবনাময় শিল্পে পরিণত হয়েছে।
প্রথমবারের মতো এবারের প্রদর্শনীতেও বিভিন্ন দেশের কসমেটিকস, পার্সোনাল কেয়ার ও হাইজিন পণ্য, প্রযুক্তি এবং সেবা প্রদর্শনের পাশাপাশি ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং ও বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে। আয়োজকরা মনে করেন, এই প্রদর্শনী বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় এ শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব তৈরিতে ব্যপক ভূমিকা রাখবে।
–টিভি টুডে