
কাঁচা মরিচ আমদানির খবরে ঝালের দাম কমেছে কেজিতে ৯০ টাকা। ধারণা করা হয়, দেশে হঠাৎ অতি বৃষ্টির কারণে কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারত থেকে মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। এর আওতায় ১১ জন আমদানিকারক ৩ হাজার ৪০০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর ও দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচামরিচ দেশে প্রবেশ করছে। আমদানি এভাবে অব্যাহত থাকলে দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কমতে শুরু করবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
ভোমরা স্থল বন্দরে সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক টিভি টুডে রিপোর্টারকে বলেন, ‘টানা বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মরিচের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন কমেছে। এতে বাজারে সরবরাহ সংকট সৃষ্টি হয়ে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ৩৫০ টাকারও বেশি উঠে যায়।’
অন্য আরেকজন ব্যবসায়ী আবুবকর বলেন, ‘ভারতের বাজারে কাঁচা মরিচের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আমদানির অনুমতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন আমদানিকারকরা। সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর দ্রুত এলসি খুলে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। ‘দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার আমদানির অনুমতি দিয়েছে। অনুমতি পাওয়া আমদানিকারকরা এখন ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি করতে পারছেন। এদিকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সর্বশেষ গত বছরের ২০ নভেম্বর ভারতীয় কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এ বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হচ্ছে।
’কাঁচা মরিচ আমদানির খবরে বাজারে ইতিমধ্যেই ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, মাত্র এক দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ৯০ টাকা কমেছে। বর্তমানে বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে আগের তুলনায় কিছুটা কম দামে। আমদানি নিয়মিত হলে সরবরাহ আরো বাড়বে এবং দাম আরো কমে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।