স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘ বছরের অচলবস্থা, মধ্য স্বত্বভোগী, দালাল ও লেনদেনের অচ্ছতা, রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস (কেস হিস্টোরি) সংরক্ষণে অব্যবস্থাপনা এবং ডাক্তারদের আয়ের সঠিক তথ্য গোপনের পুরোনো অভিযোগ মোকাবেলা ও সমস্যা নিরসনে গোটা স্বাস্থ্যখাত অটোমেশনের আওতায় আনার বিষয়ে ভাবছে সরকার।
স্বাস্থ্যসেবা অটোমেশনের অংশ হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) জাতীয় ই-প্রেসক্রিপশন, কেন্দ্রীয় রোগী ডাটাবেইস, রেফারেল সিস্টেম ও প্রেসক্রিপশন অডিট চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
একইসঙ্গে চিকিৎসকদের ফি ডিজিটাল মাধ্যমে গ্রহণ এবং সেই লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষণেরও চিন্তা-ভাবনা হচ্ছে বলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে। রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস সহজে সংরক্ষণ ও যাচাই করা যাবে। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের প্রকৃত আয়, রোগী দেখার সংখ্যা ও ফি গ্রহণের তথ্যও কর প্রশাসনের আওতায় চলে আসবে।